Skip to main content

Posts

আমি জানি একদিন বৃদ্ধ হবো তবে এতো টা না- তোমায় ফোকলা দাতে মিষ্টি হেসে ঘুম পারানি গান শোনাবো। শুদ্ধ তরুণ , অরুন-বরুণ বয়স যেন বাড়ছে দারুণ। মিষ্টি কথায় মিষ্টি কম ভালবাসায় ভালো কম। দিন টা এমন যাচ্ছে কেমন! অসুখ সুখে মরছে যেমন। আরে আরে একি দশা বৃদ্ধ বনে ফুটল লতা ! কি কাণ্ড কি কাণ্ড ফুলের গন্ধে ভ্রমর অন্ধ । লালচে পাতায় সবুজ রঙ বৃদ্ধ মনে কত ঠং। 
Recent posts
মঙ্গলপুরের নামে মঙ্গল থাকলেও মঙ্গলের যে লেস মাত্র এই গাঁয়ে পরে নি তা  হোসেন মিয়ার পরিবারের দিকে তাকালেই বোধগম্য হয়। প্রতিটি পরিবারের একই চিত্র।মূল গ্রাম থেকে চার ঘণ্টা পেরিয়ে চরে জেগে উঠা এই জেলে পল্লীর সম্বল বলতে ঐ জাল আর সমুদ্র।যে কয় পরিবারের বসত সবাই একে অন্যের আত্তার আত্মীয়। কবে থেকে এই চরের পত্তন তা আন্দাজ পাওয়া মুশকিল । তবে মুরুব্বি রা বলেন তাঁর বাপ দাদার কাছে শুনেছেন তা প্রায় দেড়শ বছর হল এখানে মানুষের বসতি। রাতে এখানে সমুদ্রের দেওে সেলিম 

এই শহর

এই শহর রঙ ছড়ায় ভুল মানুষের উৎসবে। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পসরা সাজাই তাঁর জন্য- যে কিনা অন্যের পসরা হয়। ফুটপাত ধরে হেঁটে যাওয়া আলো গুলো ক্লান্ত হয়ে হারিয়ে যায় চোরা গলিতে। কখনোবা জীবন্ত হয়ে মিশে যায় অন্য রাস্তায়। এই শহর জাগিয়ে রাখে আদিম এক মায়া নিয়ে- তাঁর জন্য- যে কিনা বিভোর হয়ে থাকে অন্যের কুঞ্জে। প্রতিটি ল্যাম্পপোষ্টে রচিত হয় - আলো আধারির কাব্য। শুধু মাত্র তাঁর জন্য- যে কিনা মুক্ত বই হয়ে থাকে অন্য কারো হাতে। এই শহর উষ্ণ হাতে শীতল করে রক্তহীন নিরব মরণে। এ শহর ছন্ন ছাড়া- দিশা হারা  কখনোবা বাঁধন হারা।   

প্রেম

্প্রেম দেখাতেই হয় - চকচকে অশ্রুতে অথবা মুক্ত ঝরা হাসিতে ; কখনো বাঁ প্রচণ্ড অভিমানে বুকের পাঁজরে  অনুভতি লুকিয়ে আলতো স্পর্শে অশ্রু মুছে দিয়ে। মাঝে মাঝে হাহাকার হয় খুব - অন্তরালে বসে কলকাঠি নারে যে নারী - সে হইত বুঝতেই পারে না। অথবা বোধ গুলো থাকে  অবুঝের খোয়ারে । জানো! মাঝে মাঝে তীব্র থেকে তীব্রতর হয় প্রতি টি নিঃশ্বাস। তখন বোঝার মতো আঁচড়ে পরে শূন্যতাই। তবু প্রেম দেখা তে হয় - ভালোবাসাহীন হয়ে। 

কেন এতো ভয়?

একজন শিক্ষার্থী যদি স্কুল থাকা অবস্থায় তাঁর পরিবার অথবা শিক্ষক কে বলে সে পড়াশুনার পাশাপাশি ডিবেট করবে / বিজ্ঞান ক্লাবে কাজ করবে অথবা প্রোগ্রামিং শিখবে; স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর পরিবার অথবা শিক্ষক তাঁকে উৎসাহ দিবে এই কাজ গুলো করার জন্য । কিন্তু যে পরিবার/ শিক্ষক "আগে ভালো করে পড়াশুনা করো , পরে এই সব দেখা যাবে "অথবা "এমনিতেই তো পড়াশুনা করো না , আবার এগুলা করলে তো আর পরীক্ষা ই ভালো ফলাফল করতে পারবে না। "-- এই টাইপ কথার জালে সেই শিক্ষার্থীকে থামিয়ে দেয় তাঁদের চিন্তার জগত যে বড়ই অপরিপক্ক অথবা চিন্তার জগত "ভয়" দিয়ে পরিপূর্ণ সেটা হয়তো এতো ভেবে বলতে হয় না। হয়তো অপরিপক্বতার থেকে  ভয় টাই বেশি মুখ্য। একটি সাজানো গোছানো জীবন , সন্তান ভালো রেজাল্ট করবে, তারপর ভালো চাকরী করে সংসার সংগ্রামে জয়ী হবে-এই লাইফ সার্কেল  অন্য কিছুর থেকে বেশি সিকিউর।  আদৌ কি তাই? যে শিক্ষক পড়াশুনার ব্যঘাত ঘটবে বলে তাঁর ক্লাসে  প্রতিদিন একই বুলি আওরাই নির্দ্বিধায় অথবা ভালো রেজাল্ট এর ঘেরা টোপে শিক্ষার্থীর  চিন্তা ও বিচরনের জগতে দেয়াল তুলে দেন নিঃসংকোচে তাঁর ই বা এতো কিছের ভয়? "এখন না , আগে ...